tt
🧱 স্থাপত্য, টেরাকোটা অলংকর ও মূর্তি
🏛️ জলেশ্বর মন্দিরটি কালীচরণ চ্যাটার্জির কন্যা মোহিতকুমারীর আমলে এই নাটমন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। কালীচরণ বাবুর পরিবার বহু বছর ধরে মন্দিরের সেবক হিসেবে যুক্ত ছিল।
১. গঠন ও আয়তন
বাংলার ঐতিহ্যবাহী 'চারচালা' রীতি অনুসরণ করে নির্মিত। মন্দিরটি দক্ষিণমুখী এবং সম্মুখভাগে সুপ্রশস্ত নাটমন্দির বর্তমান।
📏 দৈর্ঘ্য: ২১' ১০"
📐 প্রস্থ: ২৪' ১০"
🔝 উচ্চতা: ৪৫ ফুট
🕉️ মূল শিবলিঙ্গ: কালো পাথরের তৈরি (উচ্চতা ৩ ফুট)
২. প্রবেশদ্বার ও কারুকার্য
পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দুটি প্রবেশদ্বার রয়েছে। পোড়ামাটির বা টেরাকোটা ফলক দিয়ে সজ্জিত এই দ্বারের দুপাশে পৌরাণিক ও সামাজিক আখ্যান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
✨ শিখরে ত্রিশূল দণ্ডের ‘ধর্মধ্বজা’ ও ত্রিশূল-চক্র (পিনাক) দেখা যাচ্ছে। এই পিনাক 'হরি-হরের' মিলন ও সমন্বয়ের প্রতীক।
📸 ভাস্কর্যগুলির বিশেষ অলংকরণ:
- 🐍 কৃষ্ণের কালীয়দমন
- 🏹 রাম-রাবণের যুদ্ধ
- 🛏️ ভীষ্মের শরশয্যা
- 🔫 সাহেব ও তীরন্দাজ
- 👩❤️👨 মিথুন মূর্তি
- 🕉️ চতুর্ভুজ বিষ্ণু
- 🕉️ কালী ও সরস্বতী
- 🕉️ হরগৌরী
📍 প্রবেশপথে লক্ষ্য করা যায় অনন্য শিবলিঙ্গ ও শৃঙ্খলচিত্র (Chain motif) এবং লতাপাতার সূক্ষ্ম কাজ।
⚠️ ৪. বর্তমান অবস্থা ও সংরক্ষণ:
দুর্ভাগ্যবশত, কেবল দুটি প্রবেশদ্বারের পার্শ্ববর্তী অংশেই টেরাকোটা ফলকগুলো টিকে আছে। বাকি দুই পাশে বালি-প্লাস্টারের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই অমূল্য ঐতিহাসিক সম্পদ দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে।
Join the conversation